
মাদক-সন্ত্রাস দমনে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের প্রত্যয়, নবাগত ওসির সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়
নড়াগাতীর আইনশৃঙ্খলা নিয়ে নবাগত ওসির সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

অবাধ্য স্ত্রীকে ভরণপোষণ দিতে বাধ্য নয় স্বামী: হাইকোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়
অবাধ্য স্ত্রীকে ভরণপোষণ দিতে বাধ্য নয় স্বামী: হাইকোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়
পড়তে পারেন

বাংলাদেশের হাইকোর্ট একটি ঐতিহাসিক রায়ে বলেছেন, যে স্ত্রী স্বামীর অবাধ্য হবে, তাকে ভরণপোষণ দিতে স্বামী বাধ্য থাকবে না। ‘অবাধ্য স্ত্রী’ (নুশুজ) এই নীতির ভিত্তিতে আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে বৈবাহিক সম্পর্কের দায়িত্ব পালনের শর্ত সাপেক্ষে স্বামীর ভরণপোষণের দায়িত্ব।
আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, স্ত্রী যতদিন স্বামীর আস্থাভাজন থাকবেন এবং তার ন্যায়সঙ্গত আদেশ পালন করবেন, ততদিন তিনি ভরণপোষণ পাবেন। কিন্তু যে স্ত্রী স্বামীর সাথে যৌনমিলন অস্বীকার করবেন অথবা অন্য কোনোভাবে স্বামীর অবাধ্য হবেন, সেই স্ত্রীকে ভরণপোষণ দিতে স্বামী বাধ্য থাকবে না। এই রায়ে মিতা খান বনাম হেমায়েত বিবি (১৪ ডিএলআর (হাইকোর্ট), পৃষ্ঠা-৪৫৫) মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
কখন স্ত্রী ভরণপোষণ পাবেন না?
হাইকোর্ট কয়েকটি পরিস্থিতি উল্লেখ করেছেন যেখানে স্ত্রী ভরণপোষণের অধিকারী হবেন না। সেগুলো হলো:
স্বামীর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্বামীর বসবাসস্থল ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করলে স্ত্রী বন্দিদশায় থাকলে (তবে স্বামী বন্দি থাকলে স্ত্রী ভরণপোষণ পাবেন)অন্যায়ভাবে স্বামীর অনুমতি ছাড়া অসঙ্গত কারণে গৃহত্যাগ করলে. ধর্মত্যাগ করলে স্ত্রীর অবাধ্যতার কারণে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে স্বামীর মৃত্যুর পর ইদ্দত পালনরত থাকলে (অন্তঃসত্ত্বা হলে প্রসব পর্যন্ত ভরণপোষণ পাবেন) স্ত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে গেলে ব্যতিক্রম: কোন পরিস্থিতিতে অবাধ্য হয়েও ভরণপোষণ পেতে পারেন?
আদালত আরও পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন যে, কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণে স্ত্রী স্বামীর থেকে পৃথক বসবাস করলে তিনি ভরণপোষণ পেতে পারেন। যেমন: স্বামী অভ্যাসগতভাবে খারাপ ব্যবহার করলে বা গৃহত্যাগের নির্দেশ দিলে স্বামী স্ত্রীকে তাড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করলে স্বামীর সাথে বসবাস করা অসহনীয় হয়ে উঠলে স্বামী দেনমোহর পরিশোধ না করলে স্বামী পুনরায় বিয়ে করলে অথবা উপপত্নী রাখলে
রায়ের আইনি ভিত্তি
এই রায় ইসলামি আইনের নুশুজ (বশ্যতাহীনতা) নীতির ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছে, যা অনুযায়ী স্ত্রী যদি স্বামীর বৈধ ইচ্ছার বিরুদ্ধে যায়, তাহলে স্বামীর ভরণপোষণের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়ার বিধান রয়েছে। তবে আদালত আরও স্পষ্ট করেছেন যে স্বামী যতই গরিব হোক না কেন, সেটা স্ত্রীর ভরণপোষণের অধিকারকে নষ্ট করে না। স্ত্রীকে ভরণপোষণ দেওয়া স্বামীর ব্যক্তিগত দায়িত্ব, তবে তা সম্পূর্ণ শর্তসাপেক্ষে।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
নড়াগাতীতে মেধাবীদের সম্মাননা, আল-খিদমাহ্ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে উৎসবমুখর সংবর্ধনা
পড়তে পারেন

বিসেষ প্রতিনিধি: মোঃলিটন সিকদারমেধা, অধ্যবসায় ও সাফল্যের স্বীকৃতি দিতে নড়াইলের নড়াগাতীতে আল-খিদমাহ্ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও উৎসাহিত করা এবং ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের জন্য যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এ আয়োজন করা হয়।শনিবার (২৯ আগস্ট) নড়াগাতীর যোগানিয়া ডি.এন. মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সাফল্য কামনা করেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অতিথিরা।অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও বাংলা অর্থ পাঠ করেন মো. বরকত উল্লাহ। পরে গীতা পাঠ ও এর অর্থ উপস্থাপন করেন অরুন কুমার।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন যোগানিয়া ডি.এন. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক টিএম সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ বক্তব্য রাখেন খলিল স্যার, গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে অধ্যয়নরত কে.এম. ওমর ফারুক এবং গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ও আল কুরআন অ্যান্ড কালচারাল স্টাডি ক্লাবের পরিচালক সাইফুল্লাহ বিন হাবিব।এ সময় আরও বক্তব্য দেন মো. মোমেন শেখ, মো. লুৎফর রহমান, বাঐসোনা-কামশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ইসাবুল শেখ, যোগানিয়া ডি.এন. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক সুকুমার গোস্বামী, রামনগর বাদামতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আনন্দ কুমার এবং নলামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মো. জাকির হোসেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য জি. এম. হাসান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ ও গোপালগঞ্জ আলিয়া মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত মো. শরিফুল ইসলাম।বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়া হলে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা তৈরি হয়। শুধু ভালো ফলাফল নয়, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীলতার শিক্ষাও শিক্ষার্থীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।তারা বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা তৈরি করার পাশাপাশি পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে সহায়ক হবে। অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরও নিয়মিত পড়াশোনা, শৃঙ্খলা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য করে তোলার আহ্বান জানানো হয়।আয়োজকদের প্রত্যাশা, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং এর মাধ্যমে নড়াগাতীসহ আশপাশের এলাকার শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
কালিয়াকৈরে কুকুরের কামড়ে অতিষ্ঠ পথচারী ও শিক্ষার্থীরা
পড়তে পারেন

উপজেলার কালিয়াকৈর পৌরসভা এবং ৫ নং ওয়ার্ড হরতকিতলা আমতলা মোড়ে,মাইওয়ান মোড়ে, ফুলবাড়িয়া, মৌচাক, সফিপুর, বোয়ালী, শ্রীফলতলী, সূত্রাপুর, চাপাইর ও ঢালজোড়াসহ ৯টি ইউনিয়নে বর্তমানে কুকুর আতঙ্ক চরমে পৌঁছেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনার মেডিকেল অফিসার সাদিয়া তাসনিম মুনমুন জানান, প্রজনন মৌসুমে কুকুরের আক্রমণাত্মক আচরণ বাড়ে। জলাতঙ্কের ঝুঁকি এড়াতে কুকুরের কামড় বা আঁচড় লাগার সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ও সরকারি হাসপাতাল থেকে ভ্যাকসিন নেওয়া জরুরি।
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন, পাগলা কুকুরের উপদ্রবের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। দ্রুত ভ্যাকসিনেশন ও প্রতিরোধমূলক ক্যাম্পেইনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি অভিভাবকদের শিশুদের একা বাইরে না ছাড়ার অনুরোধ জানান।
উপজেলার লাখো মানুষ এই ভয়াবহ উপদ্রব থেকে রক্ষায় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য
বাছাই সংবাদ
নড়াগাতী বিএনপিতে শোকজের হাওয়া, পরীক্ষিত নেতা খান মতিয়ারকে ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া
পড়তে পারেন

বিসেষ প্রতিনিধি: মোঃ লিটন সিকদার
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানা বিএনপির সভাপতি খান মতিয়ার রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। বিভিন্ন পোস্ট ও স্ট্যাটাসে নোটিশের ঘটনায় ক্ষোভ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের একটি অংশ।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে দলের নানা প্রতিকূল সময়ে নড়াগাতী এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন খান মতিয়ার রহমান। রাজনৈতিক জীবনে হামলা-মামলা ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলেও তিনি দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে সরে যাননি বলে দাবি তাদের।
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ভাষ্য, দলের কঠিন সময়ে যারা মাঠে থেকে সংগঠনকে ধরে রেখেছেন, তাদের দীর্ঘ রাজনৈতিক ভূমিকা ও ত্যাগকে মূল্যায়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। তাদের মতে, একজন পরীক্ষিত নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার ঘটনায় অনেক নেতাকর্মীর মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।
নেতাকর্মীরা আরও বলেন, কোনো সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নোটিশে উত্থাপিত অভিযোগের প্রকৃত কারণ, সংশ্লিষ্ট ঘটনার বাস্তবতা এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ভূমিকা বিবেচনা করা উচিত। একই সঙ্গে বিষয়টি পুনর্বিবেচনারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে খান মতিয়ার রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ তাকে ‘পরীক্ষিত’ ও ‘ত্যাগী’ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে নোটিশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন। আবার কেউ দলের দুঃসময়ে তার ভূমিকা তুলে ধরে বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।
ফেসবুকের এসব পোস্ট ও মন্তব্যকে ঘিরে নড়াগাতীসহ আশপাশের এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।
কারণ দর্শানোর নোটিশের বিষয়ে খান মতিয়ার রহমান বলেন, “আমার রক্ত, শিরা-উপশিরা ও ধমনীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বহমান। আমি দলের আদর্শ ও সংগঠনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দীর্ঘদিন ধরে দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজপথে ছিলাম। ভবিষ্যতেও দলের আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে কাজ করে যেতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, সাংগঠনিকভাবে বিষয়টির সুষ্ঠু মূল্যায়ন হবে এবং বাস্তবতা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
স্থানীয় নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক অবদান ও ত্যাগের বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশের বিষয়টি যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা হবে।
তবে খান মতিয়ার রহমানকে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং এতে উত্থাপিত অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ্যে স্পষ্ট নয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দলীয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। দলীয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা সংযুক্ত করা হবে।
পাঠকের মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।


















































এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।